Can-Spam Compliant চেক করুন – প্রফেশনাল ইমেল মার্কেটিং – গাইডলাইন ৪

Can-Spam মার্কিন যুক্তরাষ্টে গৃহিত একটি স্প্যাম বিরুধী আইন তবে আন্তর্জাতিকভাবেই এই আইন প্রয়োগ হয়ে আসছে। মূলত এই প্রদ্ধতির মাধ্যমে নির্ধারন করা হয়, আপনার পাঠানো ইমেলটি স্প্যাম কি না? এই প্রক্রিয়াটি যাচাই করা হয় আপনার পাঠানো কন্টেন্ট এর উপর ভিত্তি করে।

আপনার ইমেইলের যেসকল প্রধান অংশের উপর ভিত্তি করে স্প্যাম নির্ধারন করা হয় তা নিচে দেখুন।
১। অপট-আউট বা আনসাবসক্রাইব লিংক যুক্ত না করা।
২। সাবজেক্ট এবং ইমেইলের হেডার অসংগতিপূর্ণ হওয়া।
৩। স্প্যাম ফ্লাগমুক্ত একটি ভেলিড ইমেল সেন্ডার আইডি ব্যবহার না করা।
৪। কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করার সুনির্দিষ্ট তথ্য যুক্ত না করা। তবে এটি অতিরিক্ত পরিমানে করালেও স্প্যাম হতে পারে। যেমন ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি অসামঙ্জস্যভাবে যুক্ত করা। কোম্পানীর ভেলিড আইডি পোষ্ট বক্স নাম্বার সহ দেয়াটা সব থেকেই ভালো।
৫। কোম্পানীর পক্ষ থেকে যদি তৃতীয় কোন ব্যাক্তি বা গ্রুপ ইমেল মার্কেটিং করেন তবে তারও একটি ভেলিড এড্রেস থাকা ভালো। তবে সরাসরি কম্পানীর হয়ে এডভার্টাইজ করাই উত্তম।
৬। কোন অংশে এডাল্ট কন্টেন্ট যুক্ত করলে স্প্যাম হয়ে যাবে।
৭। ধর্মীয়, রাজনীতিক ইমেলগুলো সেন্ড করতে হলে রাষ্ট্রীয় কিংবা সংস্থার অনুমতির সত্যতা যুক্ত থাকতে হবে। এগুলো মূলত প্রধান বিষয়। এর বাহিরেও আরো অনেক কারণ রয়েছে।

এবিষয়ে আরো তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হতে পারে যদি আপনি প্রফেশনালী আরো উন্নতি করতে চান। এই আরটিকোলটি লিখতে wikipedia থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।